দেবর ভাবীর চটি গল্প বাংলা






শিরোনাম: ভাবির ভেজা রাত – প্রথম পর্ব


ভাবির ভেজা রাত

প্রথম পর্ব: নিষিদ্ধ স্পর্শ

চরিত্র:

রিয়া (২৯) — তোমার বড় ভাইয়ের বউ। ফর্সা, ভারী দুধ, মোটা নিতম্ব, লম্বা চুল। দেখতে শান্ত-সুন্দরী কিন্তু ভিতরে অসম্ভব যৌন আকাঙ্ক্ষা লুকিয়ে রাখে।

আরমান (২৩) — তুমি (দেবর)। ভার্সিটির ছাত্র, টল টল, শক্ত শরীর। ভাবির প্রতি ছোটবেলা থেকেই লুকানো আকর্ষণ।

রাত তখন প্রায় ১:৪০। ঢাকার মিরপুরের এই ৪ তলা বাড়ির তৃতীয় তলায় সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। তোমার বড় ভাই রাহাত সকালে অফিসে যাবে বলে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছে। মা-বাবা নিচের তলায়।

রিয়া ভাবি শোয়ার ঘরের দরজাটা একটু ফাঁক করে রেখেছে। সে জানত আরমান আসবে। গত এক মাস ধরে এই লুকোচুরি চলছে।

আরমান চুপিসারে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকল। ঘরে শুধু ড্রেসিং টেবিলের ছোট নীল আলো জ্বলছে। রিয়া বিছানায় বসে আছে। তার পরনে হালকা লাল নাইটি, যেটা তার ভারী দুধের উপর টাইট হয়ে আছে। নাইটির নিচে কিছুই নেই।

“ভাবি… সবাই ঘুমাচ্ছে?” আরমান ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল। তার গলা শুকনো।

রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “হুম। কিন্তু সাবধান… তোর ভাইয়ের ঘুম খুব পাতলা। একটু শব্দ হলেই…”

কথা শেষ হওয়ার আগেই আরমান তার কাছে এগিয়ে গেল। সে রিয়ার চুলের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তার মাথাটা পেছনে হেলিয়ে দিয়ে গভীর চুমু খেল। রিয়া প্রথমে একটু ইতস্তত করল, তারপর দুই হাত দিয়ে আরমানের পিঠ জড়িয়ে ধরল।

“আহ্… আরমান… তুমি আমাকে পাগল করে দিয়েছ…” রিয়া চুমুর ফাঁকে ফাঁকে বলল।

আরমান তার নাইটির স্ট্র্যাপ দুটো নামিয়ে দিল। রিয়ার দুটো ভারী, গোলাপি বোঁটা যুক্ত দুধ বেরিয়ে পড়ল। আরমান একটা দুধ মুখে পুরে জোরে চুষতে লাগল। তার দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিচ্ছিল।

রিয়া তার মুখ চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, “আস্তে… উফফ্… জোরে চোষো না… আহ্… লাগছে…”

কিন্তু তার শরীর বলছিল অন্য কথা। তার একটা হাত আরমানের প্যান্টের ভিতর ঢুকে গেছে। আরমানের শক্ত, মোটা লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে ঘষছে।

আরমান রিয়াকে চিত করে শুইয়ে দিল। নাইটিটা পুরোপুরি তুলে তার সুন্দর, পরিষ্কার, ভেজা ভোদায় মুখ নামিয়ে দিল। জিভ দিয়ে লম্বা লম্বা চাটা দিতে লাগল। রিয়া বালিশ কামড়ে ধরল যাতে শব্দ না বের হয়। তার কোমর নিজের অজান্তেই উঠে আসছিল।

“আরমান… প্লিজ… ভিতরে দাও… আর সহ্য করতে পারছি না…”

আরমান উঠে তার প্যান্ট খুলল। তার শক্ত লিঙ্গটা লাফিয়ে বেরিয়ে পড়ল। রিয়া দেখেই চোখ বড় করে ফেলল। সে দুই পা ফাঁক করে আরমানকে টেনে নিল।

আরমান ধীরে ধীরে তার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। রিয়ার মুখ দিয়ে অস্ফুট আর্তনাদ বের হলো, “উফফফ… খুব বড়… আহ্…”

আরমান তার উপর ঝুঁকে পড়ে ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগল। প্রত্যেক ঠাপে রিয়ার দুধ দুটো লাফাচ্ছিল। সে আরমানের পিঠ আঁচড়াচ্ছিল আর কানে কানে বলছিল,

“তোর ভাইয়ের চেয়ে অনেক ভালো লাগে তোর সাথে… আরও জোরে… ফাটিয়ে দে আমাকে…”

হঠাৎ বাইরে থেকে পায়ের শব্দ শোনা গেল। কেউ উঠেছে। হয়তো পানি খেতে যাচ্ছে।

দুজনেই থমকে গেল। আরমান রিয়ার ভিতরেই লিঙ্গ রেখে চুপ করে রইল। রিয়ার হৃদপিণ্ড দ্রুত চলছিল। তার ভোদা আরমানের লিঙ্গটাকে চেপে ধরছিল।

কয়েক সেকেন্ড পর শব্দটা চলে গেল। রিয়া হাসি-কান্না মিশিয়ে বলল, “আরমান… আমরা ধরা পড়ে যাব… কিন্তু থামিস না… প্লিজ…”

আরমান এবার জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করল। ঘরে চামড়ার ফটফট শব্দ হচ্ছিল। রিয়া আর সামলাতে পারল না। সে আরমানের কাঁধ কামড়ে ধরে প্রথম অর্গাজমে কেঁপে উঠল। তার ভোদা থেকে রস বেরিয়ে আরমানের লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল।

আরমানও আর বেশিক্ষণ থাকতে পারল না। সে রিয়ার ভিতরেই গরম বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়াজড়ি করে হাঁপাতে লাগল।

রিয়া আরমানের কানে ফিসফিস করে বলল,

“তুই আমার স্বামী না হলেও… আমার শরীর এখন তোর। কিন্তু সাবধান… যদি কেউ জানে…”

আরমান তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বলল,

“জানুক। আমি তোমাকে ছাড়ব না ভাবি। এটা শুরু মাত্র।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *